খেলা না থাকায় ফিটনেস নিয়ে চিন্তায় আছি: তাসকিন আহমেদ

করোনাভাইরাসের কারণে পুরো বিশ্ব স্থবির। ছোঁয়াছে এই ভাইরাসের প্রভাব ক্রীড়াঙ্গনেও পড়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে সব ধরনের খেলাধুলা। এমন পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের ফিটনেস ধরে রাখাটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সব বিষয় নিয়েই যুগান্তরের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন, জাতীয় দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ। দেশের গতিরময় এ পেস বোলারের একান্ত সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন আল-মামুন।

তাসকিন আহমেদ: সরকার থেকে যে পরামর্শগুলো দেয়া হয়েছে সেগুলো ফলো করছি। সারাক্ষণ ঘরে থাকছি, প্রয়োজন ছাড়া বের হচ্ছি না। এক মাস হল ঘরেই আছি। পরিবারকে সময় দিচ্ছি। ঘরে থেকে যতটুকু সম্ভব প্র্যাকটিস করছি। আসলে ঘরে থাকতে কষ্টও হচ্ছে। কতক্ষণ ঘরে থাকা যায় বলেন! মাঠের মানুষ ঘরে এভাবে পড়ে থাকতে আর ভালো লাগছে না। দোয়া করি আল্লাহ যেন আমাদের দ্রুত এ সমস্যা থেকে উদ্ধার করেন।

যুগান্তর: খেলা নেই, মাঠে প্রাকটিসের সুযোগও নেই। এমন পরিস্থিতিতে ফিটনেস ধরে রাখা কতটা চ্যালেঞ্জিং? তাসকিন আহমেদ: খেলা থাকলে ফিটনেস নিয়ে টেনশন হয় না। খেলা না থাকায় খুবই চিন্তায় আছি। তবে ক্রিকেট বোর্ডের ফিজিওরা আমাদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন। ফিটনেস ঠিক রাখার জন্য যে সব কৌশল বাতলে দিচ্ছেন, সেগুলো ফলো করছি। যুগান্তর: বিশেষজ্ঞরা বলছেন করোনা পরবর্তী সময়ে বিশ্বে আর্থিক সংকট দেখা দেবে। ক্রীড়াঙ্গনেও এর প্রভাব পড়বে। আপনার কি মনে হয়?

তাসকিন আহমেদ: অসম্ভব কিছু না। দেখেন দেশের সব গার্মেন্টস-ফ্যাক্টরি, শপিংমল বন্ধ হয়ে আছে। ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক সব খেলা বন্ধ। তার মানে আয়ের রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। এভাবে বেশি দিন চলতে থাকলে আর্থিক মন্দা তো দেখা দেবেই। এখন আমাদের সামনে একটাই উপায় আছে আল্লাহকে বেশি বেশি ডাকা। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পাশাপাশি বেশি বেশি নফল নামাজ পড়া, কোরআন পড়া। আল্লাহ যেন আমাদের দ্রুত এই মহামারী থেকে রক্ষা করেন।

যুগান্তর: সাধারণ মানুষ তো তারকাদের ফলো করে থাকে। এ মুহূর্তে আপনি কি করছেন? আর সমর্থক-দেশবাসীর উদ্দেশে কী পরামর্শ দেবেন?
তাসকিন আহমেদ: আমি আসলে গত এক মাস ধরেই ঘরে আছি। প্রয়োজন ছাড়া বের হচ্ছি না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার চেষ্টা করছি। বাববার হাত ধুচ্ছি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছি। আপনারাও তাই করুন। নিশ্চিয়ই ঘরে থাকা কষ্টকর। কিন্তু কিছু করার নেই। যেহেতু করোনার ভ্যাকসিন এখনও বের হয়নি, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আগ পর্যন্ত ঘরে থাকাই ভালো। বের হলে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা আছে।

About admin

Check Also

শচীন টেন্ডুলকারকেও বল করতে ভয় পাইনি: রুবেল হোসেন

রুবেল হোসেনের বোলিং নৈপূণ্যে ২০১৫ সালে ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ কোয়ার্টারফাইনালে খেলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *